কুমিল্লা | বঙ্গাব্দ

কুবি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

  • প্রকাশের তারিখ : 20-জুন-2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সংগঠন আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির উদ্যোগে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সেমিনার কক্ষে এই নবীন বরন ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: শামিমুল ইসলাম এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।  

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। এছাড়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একজন শিক্ষার্থীর চিন্তা, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের বিকাশেরও ক্ষেত্র। নবীন শিক্ষার্থীদের আমি প্রত্নতত্ত্বের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। একইসঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলছি, তারা যেন অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।”

আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির সহ-সভাপতি (ভিপি) মোফাজ্জল হোসেন মুজাহিদ বলেন, “নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, এটি বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি উপলক্ষ। আমরা চাই নবীন শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই বিভাগের একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হোক এবং নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ গ্রহণ করুক। একইসঙ্গে বিদায়ী ভাই-বোনদের ভবিষ্যৎ পথচলার জন্য আন্তরিক শুভকামনা রইল।”

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই সময়টাতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, মানসিক দৃঢ়তা ও ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, নবীন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। একইসঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল, তারা যেন ভবিষ্যতের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারে।”

এছাড়াও বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সৃজনশীলতা, গবেষণা ও একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার জন্য শুভকামনা জানান।

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
ডেস্ক নিউজ

ডেস্ক নিউজ