কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বটতলী ইউনিয়নের শেয়ার বাতাবাড়িয়া গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ৬৪ শতক জমি দখল, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাংচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
হামলার ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন শেয়ার বাতাবাড়িয়া গ্রামের মরহুম আব্দুল কাদেরের পুত্র আলী আক্কাস, সায়েদুল হক, আজিজুল হক, মজিবুল হক ও তাদের ভাই বটতলী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হারেছ মিয়া কালা, আজিজুল হকের স্ত্রী আয়েশা বেগম, ছেলে নিলয়, আরজু, সায়েদুল হকের স্ত্রী ছকিনা, মজিবুল হকের স্ত্রী শিখা, এবাদুল হকের স্ত্রী লিজা আক্তারের বিরুদ্ধে। গত ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় বাতাবাড়িয়া গ্রামের মরহুম আব্দুল লতিফের ছেলে আবু তাহের, তার স্ত্রী পারুল বেগম, ছেলে মামুন ও তার ভাই শাহ আলম, শাহ আলমের পুত্রবধূ জোহরা বেগম আহত হয়। হামলায় আহত আবু তাহের বাদী হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। হামলাকারীরা আহত জোহরা বেগম ও পারুল বেগমের গলা থেকে ১ভরি ওজনের ২টি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও হামলাকারীরা ইতিপূর্বে কয়েক দফা ভুক্তভোগীদের উপর হামলা করে এবং অব্যাহতভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভুগী আবু তাহের, তার ভাই শাহ আলম ও ভগ্নিপতি ইসমাইল হোসেন বলেন, সায়েদুল হক, আজিজুল হক, মজিবুল হক ও তাদের ভাই বটতলী ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মাদক কারবারি হারেছ মিয়া কালা ও তাদের পরিবারের লোকজন আমাদের ৬৪ শতক জমি দখল করে রেখেছে। বিগত সরকারের সময়ে তারা আমাদের উপর অনেক নির্যাতন করেছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার তারা আমাদের উপর হামলা, ঘরবাড়ি ভাংচুর ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আমরা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযুক্ত মজিবুল হক বলেন, আমি ও আমার ভাইয়েরা-সহ পরিবারের লোকদের উপর যে অভিযোগ করা হয়েছে এগুলো মিথ্যা। তদের কিছু জমি আমাদের দখলে থাকলেও তারাও আমাদের জমি দখল করে রেখেছে। এ ব্যাপারে সামাজিকভাবে যে সিদ্ধান্ত হয় আমরা মেনে নিব।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিনূর ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেছে, তদন্ত চলমান আছে।
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি