কুমিল্লা | বঙ্গাব্দ
জুলাই আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ছড়িয়ে পড়ে: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক
জুলাই আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ...
0:00
0:00

জুলাই আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ছড়িয়ে পড়ে: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক

ছবির ক্যাপশন:

জুলাই আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) থেকেই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ।

রবিবার (১২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষিত ‘জুলাই প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাই পরবর্তী সময়ে দেশব্যাপী জুলাই-আগস্ট আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছিল। তিনি দাবি করেন, ওই দিনের প্রতিরোধই সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্দোলনের সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জুলাইয়ের প্রতিরোধকে পরবর্তীতে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও স্বীকৃতি দিয়েছে।

তিনি জুলাই আন্দোলন এবং বিগত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুমসহ জুলাই আন্দোলনে আত্মদানকারী সকল শহীদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

শুভ বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল নতুন বাস্তবতায় একটি শিক্ষার্থীবান্ধব প্রশাসন ও সহাবস্থানের ক্যাম্পাস গড়ে উঠবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে তিনি দ্রুত কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম নির্মাণ, আধুনিক ও সম্প্রসারিত লাইব্রেরি, আবাসিক হলের খাবারের মানোন্নয়ন, রিডিং রুমের উন্নয়ন এবং মূল ক্যাম্পাসের সঙ্গে সম্প্রসারিত ক্যাম্পাসের সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানান।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুপ্ত রাজনীতি ও বিভাজনের সংস্কৃতি ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধ করে সকল ছাত্রসংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। কেউ অপরাজনীতির মাধ্যমে ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ছাত্রদল নেতা আরও বলেন, বর্তমান প্রশাসনের আমলে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনকে একই মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি নিরাপদ, শিক্ষার্থীবান্ধব ও সহাবস্থানের ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে সকলের প্রতি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। মুখ্য আলোচক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
ডেস্ক নিউজ

ডেস্ক নিউজ