কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ৯নং দক্ষিণ শিলমুড়ি ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ডা. মো. জুয়েল রানা।
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের আয়োজক, সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. মো. জুয়েল রানা বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে মিলেমিশে বসবাস করবে এবং একে অপরের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। কোনো ধরনের ভেদাভেদ নয়, বরং সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, ৯নং দক্ষিণ শিলমুড়ি ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, একটি এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সেখানে সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রত্যেকেই যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সে জন্য সামাজিক ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে তাঁর এ পরিদর্শন স্থানীয়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করে। এ সময় পূজামণ্ডপের আয়োজক, সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহাবস্থান ও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ডা. মো. জুয়েল রানা।
নিজস্ব প্রতিবেদক