মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংকে না বলি, খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলি’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট খেঁয়াইশ পূর্বপাড়া খেলার মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খিরনশাল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা মহানগর শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজসেবক মু. মনির হোসাইন মজুমদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সেক্রেটারি মু. ইকবাল মজুমদার, ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ আবদুর রশিদ, খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল মানছুর, সাধারণ সম্পাদক মু. আবু সাঈদ, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাংবাদিক এরশাদ রানা এবং খেঁয়াইশ নূরানী তালিমুসসুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু সালেহ জাফর। এসময় এলাকার খেলা প্রেমী হাজার হাজার মানুষ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে খেঁয়াইশ সূর্য তরুণ যুব সংঘ ও মান্দারিয়া ইয়াং স্টার বয়েজ ক্লাব। টানা ৪০ মিনিটের খেলা শেষে খেঁয়াইশ সূর্য তরুণ যুব সংঘ এগিয়ে থেকে জয়লাভ করে। খেলা ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মু. মনির হোসাইন মজুমদার বলেন, যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় চৌদ্দগ্রামে মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক এরশাদ রানাকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠন একটি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সংগঠনটি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। আয়োজকরা জানান, খেলাধুলায় হার-জিত স্বাভাবিক বিষয়। সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি, যুবসমাজের বিকাশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি