বিদেশে পালিয়ে যাওয়া নেতারা পাঠাচ্ছেন টাকা। সেই টাকায় দেশে বসেই একত্রিত হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতারা। করছে নিষিদ্ধ দলের পোস্টারিং। উদ্দেশ্য ডিসেম্বরে সরকার পতন। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ এলাকায় এমন ষড়যন্ত্রের চিহ্ন এখন আর আড়ালে নেই। প্রকাশ্যে বৈদ্যুতিক পিলার থেকে বাজার, সড়ক সব জায়গায়।
জানা গেছে, ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পরও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামীলীগপন্থী কয়েকজনের পোস্টারিং ও রাজনৈতিক প্রচারণা ঘিরে বিতর্কের অভিযোগ উঠেছে। সেই সাথে সরকারবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে পোস্টার লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে সংগঠিত ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
তবে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের দাবি, কোন নেতাই কৌশলগত কারণে সামনে আসছেন না। ব্যবহার করা হচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মী ও প্রান্তিক নেতাদের।
এলাকাবাসীদের দাবি, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে তারা বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে প্রভাব দেখিয়ে তারা নানা অপকর্ম করে যাচ্ছেন বলে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন অনেকেই।
অনুসন্ধ্যানে দেখা গেছে, হাজীগঞ্জ এলাকার বালিয়া এলাকার কর্মী মোতালেব হোসেন ও মেহেদী হাসান তন্ময়ের মাধ্যমেই ছড়িয়ে দেয়া হয় বিদেশ থেকে আসা প্রচুর অর্থ।
এসব বিষয়ে কথা বলতে চাইলেও তারা কেউই ফোন রিসিভ না করায় অভিযোগটির বিষয়ে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এই বিষয়ে হাজীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাউসার আলম ভূইয়া বলেন, নাশকতা ঠেঁকাতে আমাদের স্পেশাল টিম মাঠে কাজ করছে। কারা এসব পোস্টার লাগিয়েছে আমরা জানিনা। তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেবো।
বিশেষ প্রতিনিধি