কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের পুজকরা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী শাহীন ইসলাম গং। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পুজকরা গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, পুজকরা গ্রামের সুরুজ মিয়ার পুত্র বেছু মিয়া, নেয়ামত উল্লার পুত্র শাহিন ইসলাম, আলী আরশাদের পুত্র দেলোয়ার হোসেন, প্রতিবেশী আব্দুল্লাহ আল নোমান।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে আমাদেরকে নিয়ে যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত আমাদের সম্মান হানির জন্য তারা এ অপপ্রচার চালিয়েছে। আমাদের প্রতিপক্ষর সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান। এ ঘটনায় গ্রামবাসী একাধিকবার সমাধানের লক্ষ্যে একত্রিত হলেও তারা কোন সমাধান মানেননি। নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আশ্রাফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে সমাধানের জন্য তারিখ নির্ধারণ করে দেন। কিন্তু তারা সমাধানে না বসে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমরা এ ঘটনায় গ্রামবাসী ও প্রশাসনের কাছে বারবার ধারস্ত হয়েছি। সবাই আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে বলেন। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষ এখন আমাদের মা, চাচী ও মুরুব্বিদের গায়ে হাত তোলা শুরু করেছে। তারা আমাদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। আমাদের নামে, আমাদের বাপ, চাচাদের নামে তারা মামলা দায়ের করেছে। আমরা চাই একটা সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে আমাদের প্রতিপক্ষ যদি আমাদের নিকট জমি পাওনা হয় আমরা ছেড়ে দিব। আমরা আপনাদের মাধ্যমে এ ঘটনার সঠিক তদন্তের করে প্রশাসনের নিকট বিচার দাবি করছি। আমদের প্রতিপক্ষ সঠিক পথে না গিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার করলে আমরা সেটি মেনে নিব না। আমরা এ ঘটনার সুস্থ সমাধানে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে জানতে প্রতিপক্ষ মাঈন উদ্দিনকে মুঠো ফোনে কল করা হলে এক মিনিট পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেয়।
আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা গ্রামবাসীসহ বসে তাদের মধ্যে বিবাদমান বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি। পরবর্তীতে কেন তারা আবার চলাচলের রাস্তা বন্ধসহ ঝামেলায় জড়িয়েছে তা জানি না।
নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে সমঝতা করার পরামর্শ দিয়েছি। কিন্তু তারা সমঝতায় রাজি হননি।
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি