স্বৈরাচার সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা নামে বিভাগ ঘোষণার ষড়যন্ত্র করে কুমিল্লাবাসীর প্রতি অপমান করেছেন— এমন অভিযোগ করেছেন কুমিল্লা সদর আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও মহানগর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। তিনি বলেন, “কুমিল্লা নামেই বিভাগ দিতে হবে— এটি কুমিল্লাবাসীর ন্যায্য দাবি।”
শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত “৫ দফা বাস্তবায়ন ও জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন” দাবিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ ও গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।
গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট মো. শাহাজাহান। উপস্থিত ছিলেন মহানগর নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল, কাউন্সিল সদস্য মোশাররফ হোসাইন ও নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান আহম্মেদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রশিবির সেক্রেটারি নাজমুল হাসান পঞ্চায়েতসহ অন্যান্য নেতাকর্মী।
সমাবেশ শেষে টাউন হল মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টমছমব্রিজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা “এই মুহূর্তে দরকার পিআর ও সংস্কার”, “পিআর পদ্ধতির নির্বাচন দিতে হবে, দিয়ে দাও”, “জামায়াত-শিবির জনতা, গড়ে তোলো একতা”— এসব স্লোগান দিতে থাকেন।
সমাবেশ ও মিছিলে মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য কাজী নজির আহম্মেদ, অধ্যাপক জাকির হোসেন, দেলোয়ার হোসাইন সবুজসহ হাজারো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা গেজেট. কম