নেকবর হোসেন।।
‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম’ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবাদকর্মীদের নিয়ে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন কর্মশালা। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা তথ্য অফিস, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রচার ও সমন্বয়) ডালিয়া ইয়াসমিন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারিয়া জামারিন আনসারী।
কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল হক। আলোচনায় অংশ নেন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক আবুল হাসানাত বাবুল, মীর শাহ আলম, সাদিক মামুন, কামাল উদ্দিনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
কর্মশালায় জানানো হয়, বাংলাদেশে সংক্রমণজনিত রোগের অন্যতম কারণ টাইফয়েড জ্বর। স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার কারণে এ রোগ হয়, যা দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিসিভি টিকা কার্যকর ও নিরাপদ।
আসন্ন জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইনে দেশের প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের ইপিআই স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়া হবে। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের উরুতে এবং দুই বছরের বেশি বয়সীদের হাতে ইনজেকশনের মাধ্যমে ০.৫ এমএল টিকা প্রয়োগ করা হবে।
আয়োজকদের মতে, সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে টাইফয়েড প্রতিরোধে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য। তারা আশা প্রকাশ করেন, সচেতনতা ছড়িয়ে পড়লে শিশু-কিশোরদের মধ্যে টাইফয়েড সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
কুমিল্লা গেজেট