কুমিল্লা | বঙ্গাব্দ

বিশ্বের ২২ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বরুড়ার কচুর লতি

  • প্রকাশের তারিখ : 28-সেপ্টেম্বর-2025 ইং
ছবির ক্যাপশন:

নেকবর হোসেন।।
কুমিল্লার বরুড়ায় উৎপাদিত কচুর লতি দেশের চাহিদা মিটিয়ে এখন ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ২২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। সুস্বাদু ও গলায় না ধরায় এ লতির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

বর্তমানে উপজেলায় তিন হাজারেরও বেশি কৃষক বাণিজ্যিকভাবে লতি চাষ করছেন। প্রতিদিন ৭৫ থেকে ৮০ টন লতি রপ্তানি হচ্ছে, এতে কৃষকরা ৩০–৩২ লাখ টাকা আয় করছেন। বছরে প্রায় ৭ হাজার ৭৫২ মেট্রিক টন লতি উৎপাদিত হয়।

একবার কচুর চারা রোপণ করলে টানা ৮–৯ মাস লতি সংগ্রহ করা যায়। প্রতি হেক্টরে ১৫ থেকে ২২ টন পর্যন্ত লতি উৎপাদন হয়, যা বাজারে প্রতি টন ৪০–৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কৃষকদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীদের পরিবর্তে সরাসরি রপ্তানিকারকদের কাছে বিক্রি করার সুযোগ পেলে তারা আরও লাভবান হবেন।

রপ্তানিকারকদের তথ্য অনুযায়ী, বরুড়ার লতি সবচেয়ে বেশি যাচ্ছে দুবাই, সৌদি আরব, কাতার ও বাহরাইনে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের দেশগুলোতেও যাচ্ছে। শুধু এখান থেকেই মাসে আড়াই থেকে তিন লাখ ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে বাংলাদেশ।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় বরুড়ায় লতির চাষ দ্রুত বাড়ছে এবং এ খাতে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
ডেস্ক নিউজ

ডেস্ক নিউজ