কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ গ্রামের মোঃ জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া। শখ ও প্রয়োজনকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন বৈচিত্র্যময় বাগান। অল্প জায়গায় বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি, ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগিয়ে তিনি তৈরি করেছেন যেন এক টুকরো সবুজের বাগান।
বাড়ির আঙিনায় ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন পাত্র ও জায়গাজুড়ে রয়েছে লাল শাক, কলমি শাক, পেঁপে, কলা, জাম্বুরা, পেয়ারা, লেবু, বেগুন, আম, চালতা, মরিচ, তরমুজ, শসা ও ড্রাগন ফলের গাছ। পাশাপাশি রয়েছে নারকেলসহ বিভিন্ন ফলদ গাছ। ঔষধি গাছের মধ্যে রয়েছে তুলসী গাছ।
জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, অনেক বছর ধরে তিনি এভাবে বাড়ির আশপাশে বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়ে আসছেন। নিজের হাতে গাছের পরিচর্যা করতে তার ভালো লাগে। বাড়িতে উৎপাদিত শাক-সবজি ও বিভিন্ন ফলমূল দিয়ে পরিবারের অনেকটা চাহিদা পূরণ করতে পারেন তিনি। এতে একদিকে যেমন পরিবারের সদস্যরা টাটকা শাক-সবজি ও ফল খেতে পারেন, অন্যদিকে বাজার থেকে এসব কিনতে বাড়তি খরচও কমে যায়।
তিনি আরো বলেন, নিজের জায়গা ও বাড়ির আশপাশের অব্যবহৃত স্থান কাজে লাগিয়ে অল্প পরিশ্রমে পরিবারের প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই উৎপাদন করা সম্ভব। নিয়মিত পরিচর্যা করলে গাছ থেকে ফলন পাওয়া যায় এবং পরিবারের পাশাপাশি পরিবেশও সবুজ থাকে।
স্থানীয়দের মতে, জসিম উদ্দিনের এমন উদ্যোগ অন্যদেরও বাড়ির আঙিনা ও অব্যবহৃত জায়গায় গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতে পারে। পরিকল্পিতভাবে বাড়ির আঙিনায় খালি জায়গায় শাক-সবজি, ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগানো হলে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সংসারের খরচও কিছুটা কমানো সম্ভব।
মোঃ হাবিবুর রহমান সোহেল, ব্রাহ্মণপাড়া