কুমিল্লায় যাত্রা বিরতি কালে খাবার হোটেলে রেখে যাওয়া শিশুটিকে অবশেষে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। শনিবার সকালে ওই শিশুটির পরিবার ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন।
এদিকে বেলা ২ টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায় ও সমাজসেবা কর্মকর্তা শিশুটিকে পরিবারের হস্তান্তর করেন।
সূত্র জানায়, পাকিস্তানি নাগরিক সালমান পরিবারের সদস্যদের দুই টি মাইক্রোবাস যোগে ঘুরতে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। এ সময় মহাসড়কের পাশে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের অদূরে স্ব -পরিবারে কুমিল্লার হোটেল জাইতুনে যাত্রা বিরতি দেন। এক পর্যায়ে ভুলবসত শিশু নাফিসাকে হোটেল জাইতুনে রেখে চলে যায় তারা। পরবর্তীতে চট্রগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় গিয়ে শিশু নাফিসাকে দেখতে না পেয়ে কুমিল্লার দিকে রওয়ানা দেয় পাকিস্তানি পরিবারটি।
এরমধ্যে হোটেল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে তারা শিশুটিকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে । এদিকে শিশুটির বাবা সালমান হোটেলের ওয়েবসাইট থেকে নাম্বার নিয়ে যোগাযোগ করলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায় শিশুটি তাদের হোটেলেই রয়েছে। এদিকে পরিবারের সদস্যরা আবার ফিরে আসলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সমাজসেবা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুপুরে পাকিস্তানি নাগরিক সালমানের নিকট শিশু নাফিসাকে হস্তান্তর করা হয়।
শিশুটির বাবা সালমান জানান, মুলত পাকিস্তানি পরিবারটি দুইটি গাড়ি যোগে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। একটিতে শিশুর বাবা-মা এবং অপরটিতে শিশুটির দাদা-দাদু ছিলেন। বাবা-মায়ের ধারণা ছিল দাদা-দাদুর গাড়িতে নাফিসা এবং দাদা-দাদুর ধারণা ছিল শিশু নাফিসা তার বাবা-মা'র গাড়িতে উঠেছে। উভয়ের ভুলে পাকিস্তানি শিশু নাফিসা হোটেলের ভেতরে থেকে যায়। এই ঘটনায় শিশুটির পরিবার প্রশাসন এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
নেকবর হোসেন