মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং ।।
কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই পাড়ে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ছয় (০৬) মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত রবিবার (৩ আগস্ট) বিচারপতি মজিবুর রহমান ও বিচারপতি বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালত তাদের আদেশে বলেন, “গোমতী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষা করতে হলে যেকোনো ধরনের দখলদারিত্ব কঠোরভাবে দমন করতে হবে।” তারা আরও বলেন, “নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বার্থের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।”
এই সংক্রান্ত রিটটি দায়ের করেন নদী রক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী, আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোর্শেদ।
মনজিল মোর্শেদ বলেন, “গোমতী নদী এখন দখলদারদের দখলে চলে গেছে। প্রশাসন সীমানা নির্ধারণ করলেও তা উপেক্ষা করে গড়ে উঠেছে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও বাড়িঘর। আদালতের এই রায় শুধু গোমতী নয়, দেশের সব নদী রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা আশা করছি, প্রশাসন এখন আর দখলদারদের সঙ্গে কোনো আপস না করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করবে।”
আদালতের নির্দেশে, কুমিল্লা জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলোকে ছয় মাসের মধ্যে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
কুমিল্লা গেজেট