কুমিল্লা | বঙ্গাব্দ

কুবিতে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে মারামারিতে ৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

  • প্রকাশের তারিখ : 19-নভেম্বর-2025 ইং
ছবির ক্যাপশন:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে মার্কেটিং ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মধ্যে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় মার্কেটিং বিভাগের  এক শিক্ষার্থীকে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার এবং আরও ৪ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বহিষ্কার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্রীড়া কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।গতকাল শৃঙ্খলা কমিটির ৯ম সভায় এসকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী হলেন মার্কেটিং বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাফায়েত রহমান ভূঁইয়া এবং  হল থেকে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, মার্কেটিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহবুব হাসান, হাসান মাহমুদ সফিন। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো: শাহরিয়ার ইসলাম সৌরভ এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জয়নাল আবদীন হৃদয়।

শৃঙ্খলা কমিটির সূত্রে জানা যায়,  গত ২৩শে অক্টোবর  কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৫' এর মার্কেটিং বিভাগ বনাম প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ম্যাচে মারামারি সংঘটিত হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। 

 তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভিডিও ফুটেজ ও সাক্ষ্য অনুযায়ী মার্কেটিং বিভাগের খেলোয়াড় রাকিবকে ফাউল করা হলে রেফারি মার্কেটিং বিভাগের অনুকূলে একটি ফ্রি কিক দেন। সে সময় মার্কেটিং বিভাগের অধিনায়ক মুজিবুর রহমান প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের গোলকিপারের (হাসমত আলী) দিকে তেড়ে যাওয়ায় তখন উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। তখন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী দর্শক শাফায়েত রহমান সর্বপ্রথম সরাসরি মাঠে প্রবেশ করে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের গোলকিপারকে (হাসমত আলী) এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, লাথি ও মারধর শুরু করে। সেসময় মার্কেটিং বিভাগের কিছু দর্শক উত্তেজিত হয়ে মাঠে প্রবেশ করে মারামারিতে যুক্ত হন। এদের মধ্যে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী দর্শক (মাহবুব হাসান ও জয়নাল আবদীন হৃদয়) এবং খেলোয়াড় (হাসান মাহমুদ সাফিন ও মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম সৌরভ) ও মারামারিতে অংশ নেয়। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে সংঘর্ষের উষ্কানী অথবা আক্রমণের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল হাকিম বলেন, আমি তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ছিলাম, ঘটনাগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করে এবং উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট জমা দিয়েছি এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের ১৬জন সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি বাকি খেলাগুলো সুন্দরভাবে হবে।

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
ডেস্ক নিউজ

ডেস্ক নিউজ